মোঃ আতিকুর রহমান:
একটি আন্তঃনগর ট্রেন। কবি শামসুর রহমানের ‘ট্রেন’ কবিতার মতো এ ট্রেনটি ছুটে চলে না, বরং প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকে। আর প্রতিদিন ট্রেনটিতে জ্ঞান অর্জনের জন্য বই-খাতা নিয়ে যাত্রী হয়ে ওঠে একদল কমলমতি শিশু। যে স্কুল আগে তেমন কেউ চিনতো না, ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যাও ছিল কম। সেই সাদামাটা স্কুল এখন ট্রেনের আদলে রঙ করায় সাড়া ফেলেছে দেশব্যাপী। শুধু তাই নয়, স্কুলের নামই হয়ে গেছে “ট্রেন স্কুল “।
দেশের বিভিন্নপ্রান্ত থেকে মানুষজন কেবল দেখতেই আসছেন না, বরং এলাকার অন্যান্য স্কুল থেকে শিক্ষার্থীরাও চলে আসছে এখানে। এ দৃশ্য কেবল আমাদের দেশেই নয়, পার্শ্ববর্তী দেশেও দেখা যায়। এর দ্বারা ইহাই প্রমাণ হয়- শুধু যাত্রী আর মালামাল পরিবহনই নয়, ট্রেনের রয়েছে সামাজিক শক্তি। রহমান:
Related posts:
আগামী জুনে পদ্মা সেতুতে ট্রেন চলবে: রেলমন্ত্রী
কোটা আন্দোলনে ঢাকার সঙ্গে সারাদেশের রেলযোগাযোগ বন্ধ
ঢাকার সঙ্গে উত্তরের ট্রেন সোমবার চালুর আশ্বাস
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল: বিদ্যুৎ খাতে অতিরিক্ত ব্যয় এক কোটি ৬৯ লাখ টাকা
ট্রেন যোগে রাশিয়ায় অস্ত্র-গোলা পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া: দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
বগুড়ায় রেলওয়ের দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
অবশেষে শুরু হল সংস্কার কাজ
রেলে প্রস্তুত করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু ভ্রাম্যমাণ জাদুঘর