রাজীব আহাম্মদ: শুক্রবার সকাল ৭টা ২০ মিনিটে কমলাপুর থেকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেসের যাত্রা করার কথা ছিল। কিন্তু ট্রেনটি ছাড়ে সকাল ১০টায়। যাত্রীর চাপে ট্রেনটির বগির স্প্রিং বসে যায়। যমুনা বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব স্টেশনে চার ঘণ্টা আটকে থাকে ট্রেনটি। সন্ধ্যা ৬টায় ট্রেনটির পঞ্চগড়ে পৌঁছার কথা ছিল। কিন্তু রাত সাড়ে ৯টায় ট্রেনটি ছিল জয়পুরহাটে। কমপক্ষে আরও চার ঘণ্টা লাগবে পঞ্চগড় পৌঁছাতে।
একই অবস্থা রেলের পশ্চিমাঞ্চল তথা রংপুর বিভাগের সব জেলার ট্রেনের। ঢাকা-দিনাজপুর-পঞ্চগড় রুটের দ্রুতযান এক্সপ্রেস রাত ৮টায় ছাড়ার কথা ছিল। ট্রেনটি এখনও ঢাকায় ফিরেনি। সাত ঘণ্টা বিলম্বে রাত ৩টায় ছাড়া হতে পারে। তবে স্টেশন সূত্র জানিয়েছে, শনিবার সকালে যাত্রা করতে পারে ট্রেনটি।
লালমনিরহাটগামী লালমনি এক্সপ্রেস রাত পৌনে ১০ টায় যাত্রা করার কথা ছিল। ট্রেনটি দেড় ঘণ্টা বিলম্বে রাত ১১ টা ২০ মিনিটে ছাড়ার কথা রয়েছে। তবে আরও বিলম্বের শঙ্কা রয়েছে।
জয়দেবপুর থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় নির্ধারিত বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম স্পেশাল ট্রেনটি যাত্রা করে শুক্রবার সকালে। পঞ্চগড় এক্সপ্রেস রাত ৮টা ৫০ মিনিটে পঞ্চগড়ে পৌঁছার কথা থাকলেও, ট্রেনটি মধ্যরাতের আগে গন্তব্যে পৌঁছার সম্ভাবনা নেই।

রাজশাহীর সিল্কসিটি দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ছাড়ার সময়সূচি হলেও ছেড়ে গেছে সন্ধ্যা ৬টায়।
ট্রেনের এই সিডিউল বিপর্যয়ে হাজার হাজার যাত্রী আটকা পড়েছেন। আটকা পড়াদের একজন দ্রুতযান এক্সপ্রেসের যাত্রী কাওসার আহমেদ সপরিবারে কমলাপুর স্টেশনের বিশ্রাম কক্ষের সামনে পত্রিকা বিছিয়ে অপেক্ষা করছেন। ভেতরে জায়গা পাননি।
তিনি জানান, দুই দিন লাইন ধরে খুব কষ্টে টিকিট পেয়েছেন । সন্ধ্যা ৭টায় স্টেশনে এসেছেন। সকালে ট্রেন ছাড়লে সারারাত স্টেশনে কীভাবে পরিবার নিয়ে থাকবেন।
কমলাপুরের স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারোয়ার সমকালকে বলেছেন, উত্তরবঙ্গের ট্রেনগুলো বিলম্বে ছাড়ছে ট্রেন ফিরতে বিলম্ব হওয়ায়। পূর্বাঞ্চলের ট্রেন নির্ধারিত সময়ের আধা ঘণ্টার মধ্যে ছাড়ছে।
সূত্র:সমকাল